বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
মাটিরাঙ্গায় ধলিয়া খালে বিলীন বসতঘর ; প্রশাস‌নের ত্রান ‌বিতরণ। কালের খবর জুলাইয়ের রক্তাক্ত স্মৃতিকে ধারণ করে ‘৩৬ জুলাই’ পত্রিকার আত্মপ্রকাশ। কালের খবর কাঁচা রাস্তা ধানক্ষেত-জঙ্গল পেরিয়ে যা দেখলেন প্রধানমন্ত্রী। কালের খবর রাঙ্গামাটি পার্বত্য এলাকার নারীদের আত্মনির্ভরশীল করতে বাঘাইহাট জোনের সেলাই প্রশিক্ষণের উদ্বোধন। কালের খবর সত্যের মঞ্চ না রাজনৈতিক অঙ্গন? সাংবাদিকতা ও রাজনীতির সীমারেখা নিয়ে নতুন বৈশ্বিক ভাবনা। কালের খবর ঢাকা দক্ষিণ সিটি নতুন ওয়ার্ডগুলোয় মশার রাজত্ব, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা। কালের খবর নবীনগরে গোলাগুলির ঘটনায় নিখোঁজ রিফাতের লাশ উদ্ধার। কালের খবর মাটিরাঙ্গায় ওয়াদুদ ভুইয়া এমপি’র সহায়তায় সিদ্ধ চাল পেল গুচ্ছগ্রামের কার্ডধারীরা। কালের খবর দুর্গম পাহাড়ে নওমুসলিমদের পাশে সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা পরিষদ। কালের খবর মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে জার্নালিস্ট ফারুক নগর ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে “ফারুকজি ফুড গার্ডেন”-২-এ বৃক্ষরোপণ। কালের খবর
ছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। কালের খবর

ছাত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক। কালের খবর

 

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি, কালের খবর :

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবিপ্রবি)-এর এক ছাত্রীর সঙ্গে শিক্ষকের অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে। ওই ছাত্রীর লিখিত অভিযোগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে অভিযুক্ত শিক্ষককে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক সুব্রত কুমার বিশ্বাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এবং পাবনার ঈশ্বরদী পৌরসভার পোস্ট অফিস এলাকার বাসিন্দা। অন্যদিকে ভুক্তভোগী ছাত্রী একই বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী।

পাবিপ্রবি সূত্র জানায়, প্রায় দু’বছরের বেশি সময় ধরে ওই ছাত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে শিক্ষক সুব্রত কুমার বিশ্বাসের। এক পর্যায়ে বিয়ের আশ্বাসে তারা শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। কিন্তু শিক্ষক সুব্রত পরবর্তীতে ছাত্রীকে বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। উপায়ান্তর না পেয়ে ভুক্তভোগী ছাত্রী বিয়ের দাবিতে বিভাগের চেয়ারম্যান বরাবর অভিযোগ দেন।

এই অভিযোগের পর বুধবার (৯ অক্টোবর) বিষয়টি জানাজানি হলে ক্যাম্পাসে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পাবিপ্রবি সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান খাদিজাতুল কুবরা বলেন, আমরা অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়েছি। এজন্য ক্লাস ও পরীক্ষাসহ একাডেমিক সব কার্যক্রম থেকে ওই শিক্ষককে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। উপাচার্য বরাবর তদন্ত রিপোর্ট রেজিস্ট্রারের কাছে জমা দিয়েছি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক সুব্রত কুমার বিশ্বাসের কোনো বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি।

দৈনিক কালের খবর নিয়মিত পড়ুন এবং বিজ্ঞাপন দিন..

কালের খবর মিডিয়া গ্রুপ লিমিটেডের একটি প্রতিষ্ঠান
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com